How to protect your YouTube channel from Hacking – 6 Tips!

0

ইউটিউব চ্যানেল হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচার জন্য কি করতে হবে এই বিষয়ে আপনাদের সাথে ৬ টি পদ্ধতি শেয়ার করব, যেগুলো আপনি ফলো করে আপনার চ্যানেলকে হ্যাকিং  হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবেন। এই পদ্ধতিগুলো ফলো করার পরে যদি আপনার চ্যানেল হ্যাক হয়ে ও যায় তাহলেও খুব সহজেই চ্যানেল ব্যাক করাতে পারবেন। 

প্রথম পদ্ধতি। (Move Your Channel To A Brand Account)  মূলত ইউটিউব চ্যানেল দুই ধরনের একাউন্টে থাকে, একটা হচ্ছে পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট এবং একটা হচ্ছে ব্রান্ড একাউন্ট। এখন আসুন পার্সোনাল একাউন্ট কি? পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট হচ্ছে, যখন আপনি কোন ইমেইল এড্রেস দিয়ে প্রথম চ্যানেলটি তৈরি করবেন সেটা হচ্ছে আপনার পার্সোনাল ইমেইল এড্রেসে থাকে, তাই এটা পার্সোনাল একাউন্ট। ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্ট কি? ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্ট হচ্ছে একটা বিজনেস একাউন্ট, এখানে আপনি চাইলে মাল্টিপল কলাবেরাটর এড করতে পারেন। আপনাদের যদি বিজনেস অর্গানাইজেশন হয় তাহলে মাল্টিপল পার্সন ওই চ্যানেলটা ম্যানেজ করতে পারবে, কিংবা একটা গ্রুপে হলে আপনার বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে চ্যানেল খুললে তারাও যেন ম্যানেজ করতে পারে, সেই জন্য হচ্ছে ব্রান্ড অ্যাকাউন্ট। সুতরাং আপনার চ্যানেল পার্সোনাল হোক কিংবা বিজনেসের হোক কিংবা গ্রুপের হোক আপনি অবশ্য অবশ্যই আপনার চ্যানেলটি ব্র্যান্ড একাউন্টে কনভার্ট করে নিবেন, এতে করে যে সুবিধা উপভোগ করবেন, তা হচ্ছে ব্র্যান্ড একাউন্টে যে প্রাইমারি ওয়ার্নার থাকে তাকে পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে এক দিন পর্যন্ত সময় লাগে, অন্যদিকে আপনাদের যদি পার্সোনাল ইমেইল হয় সে ক্ষেত্রে এই ওয়ার্নার পরিবর্তন করা যাবে না আপনার পার্সোনাল ইমেইল রিকভারি সবকিছু পরিবর্তন করে নিতে পারবে, তখন আর আপনি অ্যাক্সেস পাবেন না। সুতরাং ব্র্যান্ড একাউন্টে কনভার্ট করলে আপনি প্রাইমারি অর্নার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একদিন সময় পাচ্ছেন, এখন আপনি যদি বুঝতে পারেন যে আপনার চ্যানেলটি হ্যাক হয়েছে তাহলে আপনার হাতে এখনো সময় রয়েছে একদিন চ্যানেলটি ব্যাক আনার, এবং ব্র্যান্ড একাউন্ট এ কনভার্ট করার পরে সেখানে অবশ্যই একজন কিংবা দুইজন ম্যানেজার কিংবা অর্নার অ্যাড করে রাখবেন যেন তাদেরকে রিমুভ করলে তারা নোটিফিকেশন পায় এবং আপনি তাদের থেকে যেন জানতে পারেন। তাহলেই খুব সহজে সতর্ক হতে পারবেন এবং সেইসাথে প্রাইমারি ওয়ার্নারের জন্য একদিন পর্যন্ত সময় নিবে সে ক্ষেত্রে আপনি একদিনের মধ্যে চ্যানেলটি ব্যাক নিতে পারবেন। ব্র্যান্ড একাউন্টে কিভাবে পার্সোনাল একাউন্ট কনভার্ট করতে হয় তা জানতে এখানে ক্লিক করুন।

দ্বিতীয় পদ্ধতি। (Collect your Brand Account Email) আপনার চ্যানেলটি যদি অলরেডি ব্র্যান্ড একাউন্টে কনভার্ট করা থাকে তাহলে এর পরের যে স্টেপটা তা হচ্ছে আপনার ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আলাদা ইমেইল এড্রেস থাকে, সেই ইমেইল এড্রেসটি আপনি যত্নসহকারে কালেক্ট করে রাখুন। এটা কালেক্ট করার জন্য প্রথমে যাবেন এখানে এই লিংকে যাওয়ার পরে আপনি আপনার সকল ব্রান্ড একাউন্টের একটা লিস্ট দেখতে পাবেন। সে ক্ষেত্রে কিন্তু অবশ্যই আপনার জিমেইলে সাইন ইন করা থাকতে হবে। এবং সেখানে আপনি যেই ব্র্যান্ড একাউন্টের ইমেইলটি সংগ্রহ করার জন্য নিতে চাচ্ছেন সেই ব্রান্ড একাউন্টে ক্লিক করুন, ক্লিক করার পরে সেখান থেকে (View Generel Account Info) যাবেন,

View Generel Account Info.

যাওয়ার পরে (Personal Info) নামে একটি সেকশন আছে সেখানে ক্লিক করুন।

Personal Info

পর দেখতে পাবেন একটি ইউনিট ইমেইল এড্রেস সেটা আপনি যত্ন সহকারে কালেক্ট করে রাখুন।

ইমেইল এড্রেসটি দেখতে এমন হবে।

ইমেইল এড্রেসটি আপনি যত্ন সহকারে কালেক্ট করে রাখবেন কারণ কখনো যদি আপনার ইমেইল এড্রেস হ্যাক হয়ে যায় কিংবা ইমেইল এড্রেস রিমুভ করে ফেলে তার পরেও ব্র্যান্ড একাউন্টের এই ইমেইলটি রিমুভ করতে পারবে না, এটা ইউনিক একটি ইমেইল এটা পরিবর্তন করতে পারবে না, আপনার চ্যানেল মুভ করে যদি অন্য চ্যানেলে পরিবর্তন করে নিয়ে যায়, তারপরেও ব্র্যান্ড একাউন্টের আন্ডারে এই ইমেইল এড্রেস টি থাকবে। সুতরাং ইমেইল এড্রেস দিয়ে আপনি আপনার চ্যানেল আইডেন্টিফাই করতে পারবেন। এবং ইউটিউব এর সাপোর্টে যদি আপনি মেইল করেন তখন এই ইমেইলটি আপনার অনেক কাজে দিবে, সুতরাং অবশ্য অবশ্যই এই ইমেইল এড্রেস টি কালেক্ট করে রাখুন।

তৃতীয় পদ্ধতি। এটা একদমই বেসিক, একটি কঠিন থেকে কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন, আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি যে ইমেইল এড্রেসে রয়েছে সেই ইমেইল এড্রেস এর জন্য কঠিন একটা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে পাসওয়ার্ড টা ঠিক এমন হলে ভালো হবে (@auXn957$%^Am) স্ট্রং হতে হবে। এতে করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি হ্যাক হওয়া অনেকটা কঠিন একটা স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা আপনার জন্য উত্তম, এটলিস্ট সাধারণ কোন হ্যাকার এটা হ্যাক করতে পারবে না।

চতুর্থ পদ্ধতি। আমরা অনেক সময় রিকভারি ইমেইল এবং ফোন নাম্বার যা ইচ্ছা সেটা দিয়ে রাখি কিংবা কেউ-কেউ বন্ধু-বান্ধবের টাও দিয়ে রাখি, আবার কেউ ফোন নাম্বার নিজেরটা ব্যবহার করি, কিন্তু রিকভারি ইমেইল এড্রেস টা অন্য কারো ব্যবহার করে থাকি। এখানে একটি কথা বলে রাখিঃ আপনার ইমেইল এড্রেসটি নতুন কোন ডিভাইসে যখনই লগইন করেন তখন খেয়াল করবেন সেখানে একটি নোটিফিকেশন যায় যে আপনার এই ইমেইল এর আন্ডারে একটা ইমেইল আছে, সেই ইমেইলটি নতুন কোন একটা ডিভাইসে সাইন-ইন হয়েছে। সুতরাং এখানে যদি আপনার কোন একটা সেকেন্ড ইমেইল দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার প্রাইমারি যে ইমেইল টা আছে, যেটাতে আপনার ইউটিউব চ্যানেল সেটা যদি কেউ অ্যাক্সেস নিয়ে নেয় সেটাতে যদি কেউ লগইন করে সাথে সাথে কিন্তু আপনি আপনার সেকেন্ড যে ইমেইল এড্রেস টি আছে সেটাতে নোটিফিকেশন পাবেন। এবং ফোনে যদি সাইন ইন করে রাখেন সে ক্ষেত্রে সাথে সাথে নোটিফিকেশন পাবেন, এবং আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার প্রাইভেসি যে ইমেইলটি আছে সেটি নতুন কোন ডিভাইসের সাথে কানেক্ট হয়েছে তখন সেটি যদি আপনি না হন তাহলে সাথে সাথে সেখান থেকে একটা লিংক থাকে যে আপনি যদি সাইন না করে থাকেন তাহলে এখানে ক্লিক করুন, এখানে ক্লিক করার পর সেই ডিভাইসটি আপনি লগ-আউট করে দিতে পারেন কিংবা আপনার জিমেইল থেকে রিমুভ করে দিতে পারেন, এবং সেখান থেকে আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারেন। সেখান থেকে আপনি চাইলে আরো সহজে আপনার চ্যানেল টি শনাক্ত করতে পারবেন। সুতরাং এখানে অবশ্য অবশ্যই মনে রাখবেন রিকভারি ইমেইল এবং ফোন নাম্বারে আপনার নিজের একটি সেকেন্ড ইমেইল এবং ফোন নাম্বার ব্যবহার করুন এবং সেই সেকেন্ড ইমেইলটি আপনার ফোনে সাইন ইন করে রাখুন তাহলে আপনি আপনার প্রাইমারি ইমেইলে কেউ লগইন করলে সেটা নোটিফিকেশন পাবেন।

পঞ্চম পদ্ধতি। (2-Step Verification) এটা কিন্তু আপনার চ্যানেল হ্যাক হওয়া থেকে অনেক অনেক সেইফ করে। আপনার জিমেইলে অবশ্যই অবশ্যই 2-Step Verification চালু করে রাখুন। এটা কিভাবে চালু করতে হয়ঃ  প্রথমে  চালু করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। এরপর সেখানে অবশ্যই আপনার যে জিমেইল দিয়ে (2-Step Verification)  অপশন চালু করতে চান সেই জিমেইল দিয়ে সাইন ইন করুন, সাইন-ইন করার পরে (Signing in to Google) এর আন্ডারে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন, ১-(Password) ২-(2-Step Verification) ৩-(App Passwords) এখান থেকে আপনি (2-Step Verification)  এ ক্লিক করে আপনার নিজের ব্যবহারকৃত নাম্বারটি দিয়ে খুব সহজে 2-Step Verification অপশনটি অন করতে পারবেন। এটা করার ফলে আপনার জিমেইল এর পাসওয়ার্ড কেউ জানা থাকলেও সে যখনই লগইন করবে তখন আপনার দেয়া নাম্বারটিতে একটি কোড আসবে, সেই কোডটি ব্যবহার না করা পর্যন্ত সে সাইন-ইন করতে পারবে না। যদিও কিছু ঠিক ট্রিক্স আছে এইগুলো ভাইপাস করা খুব কম পরিমানের হ্যাকারই আছে যারা জানে। সুতরাং আপনি যদি 2-Step Verification অন করে রাখেন তাহলে ৯৯% সময় আপনি সেইফ থাকবেন হ্যাকিং এর হাত থেকে।

ষষ্ঠ পদ্ধতি। আপনি আপনার ইমেইলে যে মেইল গুলো পান সেখানে অনেক সময় বিভিন্ন টাইপের লিংক থাকে সেই লিংকগুলোতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। এখন কোন কোন লিংকে ক্লিক করবেন না সেটা কিভাবে বুঝবেন। প্রথমত যারা ইউটিউব চ্যানেল চালায় তাদের কাছে প্রচুর স্পন্সরশীপের ঢিল এসে থাকে বিভিন্ন দেশ থেকে। বিভিন্ন কোম্পানি আপনাকে মেইল পাঠাবে এবং সেখানে কেউ কেউ আপনাকে অনেক দামি দামি প্রোডাক্ট অফার করে থাকবে, আপনার যদি টেক চ্যানেল না হয়ে অন্য চ্যানেল হয় সে ক্ষেত্রে আপনাকে কোন সাইটের প্রমোশনের কথা বলবে, সেখানে কিন্তু একটা জিনিস কমন থাকবে সব সময়ঃ সেটা হচ্ছে তারা প্রাইস টা উল্লেখ করে দেয় আপনাকে ১০০০-২০০০ ডলার কিংবা এরও বেশি ডলার, এরকম খুব বড় বড় এমাউন্টের টাকা দেবে বলে তারা আপনাকে জানাবে, কিন্তু খেয়াল রাখবেন যখনই কোন স্পন্সরশীপের জন্য কোন কোম্পানি আপনাকে স্পন্সরশীপ ঢিল করবে তখন কিন্তু সেখানে প্রাইজটা উল্লেখ থাকবে না, তবে দু-একটা কম্পানি থাকতে পারে যারা প্রাইস উল্লেখ করে দেয়। এখন যদি কোন স্পন্সরশীপ দিয়ে সেখানে অনেক বড় মাপের প্রাইস উল্লেখ করে সে ক্ষেত্রে বুঝবেন সেটা স্পাম সুতরাং সেখানে থাকা কোন লিংকে ক্লিক করবেন না। ক্লিক করলে এতে করে আপনার চ্যানেলটি হ্যাক হয়ে যেতে পারে। আর যদি কোন কোম্পানি প্রাইস দিয়েও স্পন্সরশিপ দেয় সেটা আপনি বুঝতে পারবেন প্রাইস এর আকার দেখেই, তবে বেশিরভাগ সময় এটা হয় না, কারণ স্পন্সরশিপ যারা করতে চায় তারা প্রথমে আপনার সাথে কথা বলবে, আপনার সাথে ডিল করবে এরপরে আপনাকে তারা তাদের মতামত দিবে। আগে ১০০০ ডলার আপনাকে দিব বা এরও বেশি দিব এরকম কেউ করবে না। এর বাইরে ও নানারকম লোভনীয় ইমেইল আসে যেখানে নিচের লিংক দেয়া থাকে যে এই লিংকে ক্লিক করলে আপনার চ্যানেলে থাকা স্টাইক একটি চলে যাবে কিংবা আপনার চ্যানেলে অনেকগুলো সাবস্ক্রাইব চলে আসবে এই ধরনের লোভনীয় লিঙ্কে কখনো ভুলেও ক্লিক করবেন না। আবার দেখা যায় ইউটিউব এর নামে মেইল খুলে ইউটিউব এর আকারে টেম্পলেট তৈরি করে সেখান থেকে একটি মেইল করলো ভুলেও সেটাতে ক্লিক করবেন না, কোন লিংকে ক্লিক করার পূর্বে অনেক বার ভেবে দেখুন এরপর এ ক্লিক করুন। এটা হচ্ছে স্ক্যাম কিংবা স্প্যাম কিংবা ফিশিং লিংক বলতে পারেন।

আমাদের পরবর্তী পার্ট থাকবে চ্যানেল হ্যাক হয়ে গেলে সেটা কিভাবে ফেরত পেতে পারেন সেই বিষয়ে সুতরাং আমাদের সাথেই থাকুন।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of